অনেকেই ব্যবসা খুঁজছে, কিন্তু পুঁজি অল্প। অনেকেই খুঁজছে চাকরি, কিন্তু প্রতিযোগী বেশি। কেউ ফ্রিল্যান্সার হতে চায়, কিন্তু নেই দিকনির্দেশনা। কারও অজানা শখ থেকে আয় করার উপায়। এমনই শত প্রসঙ্গের হাজারো কথার একটি প্ল্যাটফর্ম Kajer Kotha | কাজের কথা যেখানে কাজ, দক্ষতা, আয় ও আত্মউন্নয়নের কথা হয়। অল্প পুঁজিতে বাস্তবসম্মত লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া, নারীদের ঘরে থেকেই ব্যবসার উপায় এবং ধীরে ধীরে আয় দাঁড় করানোর যত কথা। চাকরি খোঁজা, সিভি তৈরি, ইন্টারভিউ নিয়ে যত টিপস। শখ হতে পারে পেশা, সৃজনশীল কাজ হতে পারে পণ্য। শখকে পেশায় পরিনত করার যত পথ। দক্ষতা নির্ভর একটি ক্যারিয়ার শুরু করার উপায়, শেখার পদ্ধতি, দীর্ঘমেয়াদে নিজেকে তৈরি করার যত পরামর্শ। বই, পড়া, শেখা, চিন্তাভাবনা, আত্মউন্নয়ন নিয়ে যত আলোচনা। কাজের কথা ডট কম শুধুই একটি ওয়েবসাইট নয় - হাজারো সদস্যের একটি কমিউনিটি। চাই একসাথে এগিয়ে যেতে। তাই আজই যুক্ত হোন কাজের কথা’র সাথে.. কাজের কথা - কাজের পথে সবার সাথে আয় উপার্জন সংক্রান্ত সকল কাজের কথা ও প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে যুক্ত থাকুন। Facebook YouTube
Posts
Showing posts with the label pathchokro
Kajer Kotha - কাজের কথা
- Get link
- X
- Other Apps
অনেকেই ব্যবসা খুঁজছে, কিন্তু পুঁজি অল্প। অনেকেই খুঁজছে চাকরি, কিন্তু প্রতিযোগী বেশি। কেউ ফ্রিল্যান্সার হতে চায়, কিন্তু নেই দিকনির্দেশনা। কারও অজানা শখ থেকে আয় করার উপায়। এমনই শত প্রসঙ্গের হাজারো কথার একটি প্ল্যাটফর্ম Kajer Kotha | কাজের কথা যেখানে কাজ, দক্ষতা, আয় ও আত্মউন্নয়নের কথা হয়। অল্প পুঁজিতে বাস্তবসম্মত লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া, নারীদের ঘরে থেকেই ব্যবসার উপায় এবং ধীরে ধীরে আয় দাঁড় করানোর যত কথা। চাকরি খোঁজা, সিভি তৈরি, ইন্টারভিউ নিয়ে যত টিপস। শখ হতে পারে পেশা, সৃজনশীল কাজ হতে পারে পণ্য। শখকে পেশায় পরিনত করার যত পথ। দক্ষতা নির্ভর একটি ক্যারিয়ার শুরু করার উপায়, শেখার পদ্ধতি, দীর্ঘমেয়াদে নিজেকে তৈরি করার যত পরামর্শ। বই, পড়া, শেখা, চিন্তাভাবনা, আত্মউন্নয়ন নিয়ে যত আলোচনা। কাজের কথা ডট কম শুধুই একটি ওয়েবসাইট নয় - হাজারো সদস্যের একটি কমিউনিটি। চাই একসাথে এগিয়ে যেতে। তাই আজই যুক্ত হোন কাজের কথা’র সাথে.. কাজের কথা - কাজের পথে সবার সাথে আয় উপার্জন সংক্রান্ত সকল কাজের কথা ও প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে যুক্ত থাকুন। Facebook YouTube
নকশী গল্প
- Get link
- X
- Other Apps
বৃষ্টি পড়ছিল টুপটাপ। ছোট্ট ভাড়া বাসার টিনের ছাদে বৃষ্টির শব্দ যেন আরও বেশি করে অভাবের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছিল রিমিকে। চুলার পাশে দাঁড়িয়ে সে খিচুড়ি নেড়ে দেখল। পাশের কড়াইয়ে ডিম ভাজি। রান্না শেষ হলেও তার মনটা খারাপ হয়ে গেল। কারণ সে জানত—মসলার অভাবে খাবারের স্বাদ ঠিক আসবে না। কম পুঁজিতে ব্যবসার আইডিয়া রিমির খুব ইচ্ছে করছিল আজ একটু ভালো কিছু রান্না করবে। শাহেদের অফিসে অনেক চাপ যাচ্ছে। মানুষটা প্রতিদিন ক্লান্ত শরীরে বাসায় ফেরে। অন্তত খাবারটা যেন ভালো হয়। কিন্তু বাজারের হিসাব মিলাতে গিয়ে আবারও সে হার মেনে গেছে। এই মাসে ঘরভাড়া দেওয়ার পর শাহেদের বেতনের প্রায় সবটাই শেষ হয়ে গেছে। গ্যাস বিল। বিদ্যুৎ বিল। বাচ্চার দুধ। ঔষধ। বাজার। মাস শেষ হওয়ার আগেই টাকা শেষ হয়ে যায় প্রায়ই। রিমি মাঝে মাঝে খুব অপরাধবোধে ভুগত। “আমি যদি সংসারে একটু সাহায্য করতে পারতাম…” কিন্তু কিভাবে? তার পড়াশোনা খুব বেশি না। বাইরে অল্প বেতনে চাকরি করতে গেলেও ছোট ছেলে আয়ানকে দেখার কেউ নেই। শাহেদের অফিস সকাল থেকে রাত পর্যন্ত। কখনও কখনও রিমির মনে হতো, জীবনটা যেন আটকে গেছে। একই রুটিন। একই টানাপোড়েন। একই হিসাব। সেদিন রা...
হাল না ছাড়া নকশী পিঠা
- Get link
- X
- Other Apps
রাত তখন প্রায় তিনটা। আরিফ ছাদের এক কোণে বসে ফোনে কথা বলছে। অন্যপাশে মেহজাবিন। “তুমি কবে কিছু একটা করবে?” — মেয়েটার কণ্ঠে অভিমান। আরিফ দীর্ঘশ্বাস ফেলল। “চেষ্টা তো করছি।” “চেষ্টা আর কতদিন? বাসা থেকে আমার বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছে।” এই কথাটা আরিফ গত এক বছরে অসংখ্যবার শুনেছে। কিন্তু প্রতিবারই বুকের ভেতর কেমন যেন চাপা ভয় কাজ করত। হাল না ছাড়া নকশী পিঠা অনার্স শেষ হয়েছে প্রায় আট মাস। বন্ধুরা কেউ বিসিএসের প্রস্তুতি নিচ্ছে, কেউ চাকরি পেয়েছে, কেউ বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছে। আরিফের জীবন তখনও অনিশ্চয়তায় ঝুলে আছে। শেষ পর্যন্ত মেহজাবিনের চাপ, পরিবারের বাস্তবতা আর নিজের অস্থিরতা মিলিয়ে সে একটি চাকরি নেয়। চট্টগ্রামের একটি বড় Consumer Company -তে Sales Representative । প্রথমদিন অফিসে গিয়ে তার মনে হয়েছিল, “জীবন বুঝি এখন ঠিক পথে যাচ্ছে।” কিন্তু বাস্তবতা ছিল অন্যরকম। রাত জেগে মেহজাবিনের সঙ্গে ফোনে কথা হতো। কখনও ঝগড়া, কখনও ভবিষ্যতের স্বপ্ন, কখনও কান্না। ফলে সকালে ঘুম ভাঙত দেরিতে। প্রতিদিন দেরি করে অফিসে পৌঁছানো, T arget miss করা, সিনিয়রদের বকা—সব মিলিয়ে তিন মাসের মাথায় পরিস্থিতি ভয়ংকর হয়ে গেল। এ...
কচুরিপানা
- Get link
- X
- Other Apps
বর্ষার শেষ দিকের সময়। টানা কয়েকদিন বৃষ্টির পর নদীর পানি ফুলে উঠেছে। কুড়িগ্রামের ছোট এক গ্রামের এক নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে মাহির। চারদিকে কাদা, ভাঙা রাস্তা আর অস্থায়ী টিনের ঘর। বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করার পর প্রায় দুই বছর হয়ে গেছে। চাকরির জন্য অনেক চেষ্টা করেছে, কিন্তু কোথাও স্থায়ী কিছু হয়নি। ঢাকায় গিয়ে কয়েক মাস কোচিংও করিয়েছে, পরে হতাশা নিয়ে ফিরে আসতে হয়েছে। গ্রামের মানুষ তাকে দেখলে প্রায়ই একই কথা বলত— “এত পড়ালেখা করে শেষমেশ বাড়িতেই বসে আছ?” কথাগুলো মাহিরের গায়ে আগুনের মতো লাগত। কিন্তু সে কিছু বলত না। কারণ সত্যি কথা হলো, তার নিজের কাছেও কোনো উত্তর ছিল না। কচুরিপানা একদিন বিকেলে বৃষ্টি থামার পর সে নদীর পাড় দিয়ে হাঁটছিল। হঠাৎ তার চোখে পড়ল, কয়েকজন জেলে বড় বড় কচুরিপানা টেনে তুলছে। মাহির অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, “এগুলো তুলছেন কেন?” একজন হেসে বলল, “নদী আটকে যায়। ফেলে দেব।” মাহির কচুরিপানার দিকে তাকিয়ে রইল। বিশাল স্তূপ। পুরো নদী ভরে গেছে। সেদিন বিষয়টা তার মাথায় ঘুরতে থাকল। রাতে YouTube-এ ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে সে একটি বিদেশি ভিডিও দেখল। সেখানে কচুরিপানা শুকিয়ে হ্যান্ডমেড basket, mat আর ec...
হারিয়ে যাওয়া নাঈম
- Get link
- X
- Other Apps
শীতের শেষ দিকের সময়। শহরের ব্যস্ততা, কাজের চাপ আর প্রতিদিনের একই রুটিনে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল নাঈম। সে চট্টগ্রামের একজন সাধারণ তরুণ গ্রাফিক ডিজাইনার। ফ্রিল্যান্সিং করে মোটামুটি আয় হলেও তার মনে সবসময় একটা আফসোস কাজ করত—“নিজের কিছু করা দরকার।” একদিন হঠাৎ তার বন্ধু রাফি বলল, “চল সাজেক ঘুরে আসি। মাথাটা ফ্রেশ হবে।” কম পুঁজিতে ব্যবসার আইডিয়ার ও গল্প কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই দুজন রওনা দিল পাহাড়ের পথে। বাসের জানালা দিয়ে কুয়াশা ঢাকা রাস্তা দেখতে দেখতে নাঈমের মনে হচ্ছিল, শহরের বাইরে পৃথিবীটা যেন একদম আলাদা। সাজেকে পৌঁছানোর পর তারা একটি ছোট কাঠের কটেজে উঠল। চারদিকে মেঘ, পাহাড় আর ঠাণ্ডা বাতাস। রাত নামার পর পুরো জায়গাটা আরও রহস্যময় হয়ে উঠল। কটেজের মালিক সাবধান করে বললেন, “রাতে বেশি দূরে যাবেন না। পাহাড়ে কুয়াশা নামলে পথ চিনতে পারবেন না।” কিন্তু রাফি আর নাঈমের মধ্যে রোমাঞ্চের নেশা ছিল। তারা রাতে পাহাড়ের এক পাশ দিয়ে হাঁটতে বের হলো। কিছুদূর যেতেই ঘন কুয়াশা নেমে এল। মোবাইল টর্চের আলোও ঠিকমতো কাজ করছিল না। হঠাৎ দূরে একটি ক্ষীণ আলো দেখা গেল। দুজন সেই আলোর দিকে এগিয়ে গেল। কাছে গিয়ে দেখে একটি ছোট বাঁশের ঘর...